শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২০, ০১:১৮ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ফুলবাড়িয়ায় ব্যবসায়ী সমিতি উপজেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর বৈঠক অসহায় পরিবারের পাশে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা যুবলীগ খাদ্য সামগ্রী নিয়ে অসহায়দের বাড়ীতে ইউএনও আশরাফুল ছিদ্দিক ও ইউপি চেয়ারম্যান বাদল করোনা ভাইরাস জনসচেতনতায় ফুলবাড়িয়ায় ব্র্যাকের ৪০জন কর্মী মাঠে করোণা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনত করতে এনায়েতপুর ইউনিয়নে ছাত্রলীগ সভাপতি করোণা প্রতিরোধে ফুলবাড়িয়া পৌর সভার জীবানুনাশক স্প্রে শুরু ফুলবাড়িয়ায় করোণা প্রতিরোধের আইন না মানায় ৪ব্যবসায়ীর জরিমানা ফুলবাড়িয়ায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসনের চিরুনি অভিযান করোণা ভাইরাস : উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মো: রফিকুল ইসলাম রাকিব‘র উদ্যোগ করোণা ভাইরাস : মাস্ক ও লিফলেট বিতরণ করলেন পৌর মেয়র গোলাম কিবরিয়া

খাদ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ আছে : প্রধানমন্ত্রী

ইন্টারনেট : খাদ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ আছে, করোনাভাইরাসের কারণে খাদ্য সংকট হবে না জানিয়ে আতঙ্কিত হয়ে বাজারের ওপর চাপ সৃষ্টি না করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি কমপক্ষে এক বছর বিদেশ থেকে আমদানির সামর্থ্যও রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের যে রিজার্ভ আছে, তাতে অন্তত এক বছরের খাবার ক্রয় করার মতো সামর্থ্য আমাদের আছে। কাজেই সেদিক থেকেও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই।’

আজ শনিবার সকালে ঢাকা সিটি কলেজ কেন্দ্রে জাতীয় সংসদের ঢাকা-১০ আসনের উপ-নির্বাচনে নিজের ভোট প্রদান শেষে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু মানুষ আতঙ্কিত হচ্ছে, তারা খাদ্য সামগ্রী সংগ্রহ করছে এবং তাদের বাড়িতে মজুদ করছে, আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, খাদ্য সামগ্রীতে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।’

তিনি বলেন, ‘দেখতে পাচ্ছি কিছু লোক সমানে জিনিসপত্র কিনে মজুদ করছেন বা ঘরে নিয়ে যাচ্ছেন। একজন দেখলাম ৩০ কেজি লবণই কিনে ফেলেছেন! এই ৩০ কেজি লবণ দিয়ে উনি কতদিন খাবেন, আমি জানি না। আর সেটা দিয়ে উনি কী করবেন?’

সম্প্রতি পেঁয়াজের দাম বাড়ার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পেঁয়াজের একবার দাম বাড়ার কারণে অনেকে প্রচুর পেঁয়াজ কিনে মজুদ করেছিলেন। ফলাফল এই হয়েছিল সেগুলো পচে যাওয়াতে ফেলে দিতে হয়েছিল।’

‘কাজেই আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে যার যতটুকু প্রয়োজন, সেইটুকু আপনারা সংগ্রহ করেন’ আরও যোগ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘এইভাবে যদি বাজারের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়, বাজার তখন জিনিসের দাম বাড়িয়ে দেয়। যার টাকা আছে সে তো কিনতে পারছে, কিন্তু যারা সীমিত আয়ের, তাদের পক্ষে তো এত কেনা সম্ভব না। কাজেই অন্যকে এভাবে কষ্ট দেওয়ার অধিকার কারও নাই।’

খাদ্যপণ্য মজুদের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখনো ১৭ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য শুধু সরকারি গুদামেই আছে। সাড়ে ৩ লক্ষ মেট্রিক টন গম আমাদের মজুদ আছে। এছাড়াও বেসরকারি আমাদের যে সমস্ত রাইস মিলগুলো আছে, তাদের কাছেও প্রচুর খাদ্য মজুদ আছে। তাছাড়া আমাদের ক্ষেতের ফসল আছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

কপিরাইট © ফুলবাড়িয়ানিউজ২৪ ডট কম ২০২০
Design & Developed BY A K Mahfuzur Rahman