শৌচাগারের সামনে দুর্ভাগা শহীদ মিনার


প্রকাশের সময় : ফেব্রুয়ারী ২২, ২০১৮, ৪:২২ AM
শৌচাগারের সামনে দুর্ভাগা শহীদ মিনার

জাহিদুল ইসলাম খান, ভালুকা : ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৌচাগারের সামনে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতীক শহীদ মিনারটি নিয়ে বিব্রত এলাকাবাসী। গত কয়েকবছর আগে নির্মিত এই শহীদ মিনারটি নিয়ে স্থানীয় জনসাধারণসহ সর্ব মহলের মাঝে চরম ক্ষোভ। কিন্তু ক্ষোভ থাকলেও কাজের কাজ কিছুই যেন কারো করার নেই। অথচ বুধবার প্রভাব ফেরীতে বায়ান্নের একুশের শহীদ সালাম,জব্বার,রফিক,বরকত ও নাম না জানা অনেক ভাষা শহীদদের স্মরণে এই শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।
জানাযায়, ভালুকার ডাকাতীয়া ইউনিয়নের চাঁনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শৌচাগারের সামনে ভাষা শহীদদের স্মরণে বিদ্যালয় কতৃপক্ষ সম্পূর্ণ উদাসীনভাবে কোনো নিয়ম না মেনে শহীদ মিনারটি নির্মাণ করে।যা দেখলে উল্টো শহীদদেরকে অবমাননা করছে বলে যেকোনো ব্যক্তির মনে হবে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।
উক্ত স্থানে গিয়ে দেখা যায়,শহীদ মিনারটি ওয়াস প্রকপ্লের বিশাল শৌচাগারের সামনে নির্মাণ করা হয়েছে যা শহীদ মিনারটির সৌন্দর্য্য ও পবিত্রতা নষ্ট করছে।তাছারা ভাষা দিবস,স্বাধীনতা দিবস ও মহান বিজয় দিবসে শহীদদের প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা জানাতে চাঁনপুরের জনগন একমাত্র এই শহীদ মিনারে ফুল দিতে আসলে সেখানে পাশের শৌচাগারের পঁচা,দুর্গন্ধ সহ্য করতে হয়।যা সেখানে একটি অস্বস্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।এই শহীদ মিনারটি নিয়ে গতবছর দৈনিক আমাদের সময় সহ কয়েকটি জাতীয় ও লোকাল পত্রিকায় খবর প্রচারিত হলেও কতৃপক্ষের কোনো নজরই আসেনি।
স্থানীয় যুবলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী আসমত আলী জানান,চাঁনপুরের একমাত্র শহীদ মিনারটি শৌচাগারের সামনে নিমার্ন করায় আমরা লজ্জিত । এখানে শহীদ মিনারের সৌন্দর্য্য ও পবিত্রতা নষ্ট করছে স্কুল কতৃপক্ষ । আমি শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষার্থে এঁটা অন্যত্র সরিয়ে ফেলার আবেদন করছি।
চাঁনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল আলম জানান, এঁটা সরানোর জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন দেওয়া আছে । সময় সল্পতার কারণে হচ্ছে না।

https://www.bkash.com/