বাংলাদেশ ফারমার্স ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারী, বাবুল চিশতী কারাগারে ফারমার্স ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারী, বাবুল চিশতী কারাগারে


প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৬, ২০১৮, ২:৩৩ PM
বাংলাদেশ  ফারমার্স ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারী, বাবুল চিশতী কারাগারে ফারমার্স ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারী, বাবুল চিশতী কারাগারে

ফুলবাড়িয়া নিউজ 24 ডট কম : ফারমার্স ব্যাংকের প্রায় ১৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার ব্যাংকটির অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতীকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. দেলোয়ার হোসেন শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলম দুই দফা ৭ দিনের রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেছিলেন।
এর আগে গত ১০ এপ্রিল এ আসামির ৫ দিন এবং গত ১৯ এপ্রিল ফের ২ দিনের দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। গত ১৮ এপ্রিল তার ছেলে রাশেদুল হক চিশতী, ব্যাংকটির ফার্স্ট প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান খান ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জিয়া উদ্দিন আহমেদকে চার দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে গত ১০ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে আসামিদের গ্রেপ্তার করে দুদকের উপপরিচালক মো. সামছুল আলমের নেতৃত্বাধীন একটি দল।
মামলার অপর ২ আসামিরা হলেন, মাহবুবুল হক চিশতীর স্ত্রী রুজী চিশতী ও এবং ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান করপোরেট শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক ও বর্তমান সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রোসিডেন্ট দেলোয়ার হোসেন।
মামলায় অভিযোগ ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ব্যাংকের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মাহবুবুল হক চিশতী গুলশান শাখায় সঞ্চয়ী হিসাব খুলে বিপুল পরিমাণ অর্থ নগদে ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা ও উত্তোলন করেছেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়েদের ও তাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন শাখার মোট ২৫টি হিসাবে বেশিরভাগ অর্থ নগদ ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে মোট ১৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪২ টাকা সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। হিসাবগুলোতে গ্রাহকদের হিসাব থেকে পাঠানো অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও লেয়ারিং এর মাধ্যমে গ্রহণ করে এবং নিজেদের নামে ক্রয়কৃত ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন করেন।

সূত্র আমাদের সময় ডট কম

https://www.bkash.com/