আয় ও সম্পদ বেড়েছে হুইপ আতিকের


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ১৩, ২০২৩, ৫:৩৯ PM
আয় ও সম্পদ বেড়েছে হুইপ আতিকের

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ (সদর) আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাতীয় সংসদের হুইপ আতিউর রহমান আতিকের ৫ বছরে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে। দ্বাদশ নির্বাচনে তার হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। একই সময়ে বার্ষিক আয়ও বেড়েছে। ২০১৮ সালের হলফনামায় বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছিল ১১ লাখ ৪ হাজার টাকা। ২০২৩ সালের হলফনামায় আয় বেড়ে ২০ লাখ ৯২ হাজার ৬৯৭ টাকা হয়েছে। বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট/দোকান অন্যান্য ভাড়া থেকে এসব আয় হয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়। সম্মানি ভাতা দেখানো হয়েছে ১১ লাখ ৪ হাজার টাকা। ২০১৮ সালে মৎস্য চাষে আয় দেখানো হয়েছিল ৩০ লাখ টাকা। এবার এ খাতে কোনো আয় দেখানো হয়নি। কৃষি খাতেও কোনো আয় নেই।
২০১৮ সালের হলফনামায় নিজের নামে অস্থাবর সম্পদ নগদ টাকা দেখানো হয়েছিল ১ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার ২১৬ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ১২ লাখ ৭১ হাজার ৩১৮ টাকা। ২০২৩ সালের হলফনামায় নিজ নামে নগদ টাকা দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৬৩ হাজার ৮৫২ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ১৬ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫৩ টাকা। ২০১৮ সালের হলফনামায় নিজ নামে ব্যাংকে জমা অর্থ দেখানো হয়েছিল ১০ লাখ টাকা আর স্ত্রীর নামে ৩ লাখ ৪২ হাজার ৭৮০ টাকা। এবার নিজ নামে ৪৮ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫৩ টাকা দেখানো হয়েছে। ২০১৮ সালে নিজ নামে মেয়াদি জমা ছিল ১২ লাখ ১০ হাজার ৪২৭ টাকা। ২০২৩ সালে মেয়াদি জমা দেখানো নেই। ২০১৮ সালের হলফনামায় একটি মোটরগাড়ির মূল্য দেখানো হয়েছিল ৭৮ লাখ ৪ হাজার ৪০ টাকা। এবারও ওই গাড়ির একই মূল্য দেখানো হয়েছে।
২০১৮ সালের হলফনামায় স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ও পাথরের নির্মিত অলঙ্কারাদি নিজের নামে দেড় লাখ টাকা দেখানো হয়েছে এবং স্ত্রীর নামে ১০০ ভরি স্বর্ণ উপহার পাওয়া হিসাবে দেখানো হয়েছিল। ২০২৩ সালেও নিজের এবং স্ত্রীর নামে ওই একই পরিমাণ স্বর্ণ দেখানো হয়েছে।

স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ২০১৮ সালের হলফনামায় নিজের জমির পরিমাণ দেখানো হয়েছিল ১১৯০ দশমিক ৯৭ শতাংশ। যার মূল্য দেখানো হয়েছিল ১ কোটি ৩৬ লাখ ৭২ হাজার ৪০ টাকা এবং স্ত্রীর জমির পরিমাণ দেখানো হয়েছিল ৪৫ শতাংশ। যার মূল্য দেখানো হয়েছিল ৮৯ লাখ ৬ হাজার টাকা। ২০২৩ সালে হলফনামায় নিজের জমি দেখানো হয়েছে ২০৬৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ। মূল্য দেখানো হয়েছে ৮১ লাখ ২ হাজার ৯০০ টাকা। স্ত্রীর নামে জমির পরিমাণ ও মূল্যের কোনো পরির্তন হয়নি।
অকৃষি জমি ও অর্জনকালীন মূল্যের ক্ষেত্রে ২০১৮ সালে দেখানো হয়েছিল নিজের নামে ৩৫ শতাংশ জমির ওপর ৩৪৫ বর্গমিটারে ৬ তলা বাড়ি ও ২০৬ বর্গমিটারে ৩ তলা বিল্ডিং। যার মূল্য ৪ কেটি ৫৯ লাখ ৪১ হাজার ৭৪৫ টাকা। স্ত্রীর নামে ৪৯ দশমিক ৭ শতাংশ জমি। যার মূল্য ২০ লাখ ২০ হাজার টাকা। অপরদিকে ২০২৩ সালের হলফনামায় একই পরিমাণ জমির ওপর একই বাড়ির কথা উল্লেখ করে মূল্য দেখানো হয়েছে ৪ কোটি ৬১ লাখ ৪১ হাজার ৭৪৫ টাকা। স্ত্রীর নামে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ জমির মূল্য দেখানো হয়েছে ৫২ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ টাকা।
বাড়ি অ্যাপার্টমেন্ট সংখ্যা ও অর্জনকালীন মূল্যের ক্ষেত্রে ২০১৮ সালে হলফনামায় নিজের নামে টিনশেড আধাপাকা ঘর ২ লাখ টাকা, রাজউকের প্লট কিস্তি বাবদ ২২ লাখ ৯১ হাজার ৫০০ টাকা দেখানো হয়েছিল। ২০২৩ সালে হলফনামায় ওই একই তথ্য দেওয়া হয়েছে।

https://www.bkash.com/