আছিম পাটুলী ইউপি চেয়ারম্যানের পদ শূন্য ঘোষণা


প্রকাশের সময় : মার্চ ৯, ২০২৩, ৯:০৮ PM
আছিম পাটুলী ইউপি চেয়ারম্যানের পদ শূন্য ঘোষণা

ফুলবাড়িয়া : ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ১২নং আছিম পাটুলী ইউপি চেয়ারম্যানের পদ শুন্য ঘোষণা করেছে সরকার। ঐ ইউনিয়ন পরিষদের ৯ সদস্য তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনায় তার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেসমীন প্রধান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আছিম পাটুলী ইউপি চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস বিরুদ্ধে বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ তুলেন ইউপির ৯ সদস্য। ইউপি সদস্যরা তাঁর বিরুদ্ধে মাসিক সমন্বয় সভা আহ্বান না করা, আদায়কৃত হোল্ডিং ট্যাক্সের অর্থের পরিমাণে অসামঞ্জস্য ও আর্থিক অব্যবস্থাপনা, টিসিবি পণ্যের উপকারভোগীদের নকল কার্ড সৃজন ও বিতরণ, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অর্থ আদায়, জন্ম/মৃত্যু নিবন্ধনে সরকার নির্ধারিত ফি এর অতিরিক্ত আদায় ও আদায়কৃত ৩,১০,৫৪৫ টাকা ফি জমা না করে বকেয়া রাখা, ইউপি সচিবকে তার কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা, জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদায় পালন না করার অভিযোগে উক্ত ইউনিয়নের ৯ জন সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব করেন।

 

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, উক্ত অনাস্থা প্রস্তাবের বিষয়ে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা, পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্প (পজীব) বিআরডিবি মো. তোফাজ্জল হোসেন বিশেষ সভা আহ্বান করে অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ৯ জন সদস্য সম্মতি জ্ঞাপন করে যা দুই-তৃতীয়াংশের বেশি।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ঐ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় এবং বিশেষ সভায় অনাস্থা প্রস্তাবটি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ভোটে গৃহীত হওয়ায় বর্ণিত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক জনস্বার্থে ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব পালন করা সমীচীন হবে না মর্মে বিবেচিত হওয়ায় জেলা প্রশাসক ময়মনসিংহের প্রেরিত অনাস্থা প্রস্তাবটি সরকার কর্তৃক স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী অনুমোদিত হয়েছে। সেহেতু স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯এর ৩৯ (১৩) ধারা অনুযায়ী জনস্বার্থে অনাস্থা প্রস্তাবটি অনুমোদিত হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস এর পদটি একই আইনের ৩৫(১)(চ) ধারা অনুযায়ী শূন্য ঘোষণা করা হলো।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নাহিদুল করিম আমাদেরসময় কে বলেন, আমি এখনও অফিশিয়াল চিঠি পাই নি। পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইউপি চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস আমাদেরসময় কে বলেন, চিঠি এখনো হাতে পাইনি। হাতে পেলে পরবর্তী আইনী সহযোগিতা নিবো। তবে আমার বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য কর্তৃক আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

https://www.bkash.com/