,

ThemesBazar.Com

ইউনিয়ন পরিষদ সেবার হালচাল-২ ডিজিটাল ছোঁয়া লাগেনি নাওগাঁও ইউনিয়ন পরিষদে: উন্নয়ন কাজে ধামাচাপা

158

ফুলবাড়িয়া নিউজ 24ডটকম : উপজেলা সদরের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ফুলবাড়িয়ার সীমানা ঘেঁষে নাওগাঁও ইউনিয়নটির অবস্থান। স্থানীয় জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোসলেম উদ্দিনের ছোঁয়ায় বিভিন্ন রাস্তাঘাট, প্রতিষ্ঠান ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নয়ন হলেও বিগত ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্বহীনতায় ইউনিয়ন পরিষদে ডিজিটাল ছোঁয়া লাগেনি। ফলে উন্নয়ন কর্মকান্ডে রয়েছে ধামাচাপার ফিরিস্তি, স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। সরেজমিনে ইউনিয়ন পরিষদের সেবা ও উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজকে উপজেলার নাওগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে।
০১-১০-২০১০ সালে আধুনিক ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মিত হলেও সেখানে মিলছে না ডিজিটাল বাংলাদেশের আধুনিক কোন সেবা। ঐ ইউনিয়নের নাগরিকদের ছুটতে হচ্ছে পাশ্ববর্তী ইউনিয়ন অথবা বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। তদারকির অভাবে সরকারের নানামুখী উন্নয়ন প্রকল্পগুলো আলোর মুখ দেখছে না।
ইউনিয়ন পরিষদ : দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও অদ্যবধি পর্যন্ত পরিষদের সীমানা প্রাচীর নির্মান সম্ভব হয়নি। পরিষদ মাঠ স্থানীয় ব্যক্তিদের প্রয়োজনে ব্যবহৃত হচ্ছে। সপ্তাহে ৩/৪দিন ক্ষনিকের জন্য পরিষদ খোলা থাকে। ভুমি অফিস নিয়মিত খোলা হলেও কৃষি বিভাগ অনিয়মিত। তবে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাঠে থেকে সেবা দিচ্ছেন বলে দাবী ইউপি চেয়ারম্যানের।
ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কি কি সেবা পাওয়ার কথা বা দেয়ার কথা সে সম্পর্কে ঐ ইউনিয়নবাসী অন্ধকারে। স্থানীয়রা মনে করেন ৫বছর পর পর নির্বাচন আসে, অনেক টাকা-পয়সা খরচ করে চেয়ারম্যান হয়, কাম-কাজের বরাদ্দ যা পায়, তা লুটপাট না করলে খরচ উঠবে কিভাবে?
ডিজিটাল সেন্টার : বর্তমান সরকার তৃণমুলে মানুষের দোড় গুড়ায় সেবা পৌঁছাতে প্রত্যেক ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে একটি ডিজিটাল (সেবা) সেন্টার চালু করেছে। জিজিটাল সেন্টারের উল্লেখযোগ্য সেবাগুলোর মধ্যে জমির পর্চা, জীবন বীমা, পল্লী বিদ্যুতের বিল পরিশোধ, সরকারি ফরম, পাবলিক পরীার ফলাফল, অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, অনলাইন জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ভিজিএফ-ভিজিডি তালিকা, নাগরিক সনদ, নাগরিক আবেদন, কৃষি তথ্য, স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রভৃতি। অথচ সেখানে জন্মনিবন্ধন বাদে অন্য কোন সেবাই মিলছে না, ফলে সাধারণ মানুষ ইউনিয়ন পরিষদমুখী নয়।
সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ২জন উদ্যোক্তা থাকার কথা কিন্তু সেখানে ১জন উদ্যোক্তা নামমাত্র হাজিরা দিয়ে অলস সময় অতিবাহিত করছে। সকল ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েব পোর্টাল এর ধারাবাহিকতায় অত্র ইউনিয়নেরও একটি ওয়েব পোর্টাল থাকলেও তা নিতান্তই দায়সারা। যঃঃঢ়:// হধড়মধড়হঁঢ়. সুসবহংরহময. মড়া.নফ/ংরঃব/ঢ়ধমব প্রবেশ করলে সেখানে কোন আপডেট কোন তথ্য নেই।
ওয়েব পোর্টালের তথ্যমতে, অত্র ইউনিয়নস্থ গ্রাম পুলিশ- ১০জন, বাজেট- ১টি, আছে কিন্তু তা কোন বছরের বুঝার কোন উপায় নেই। সার ডিলার ১জন কিন্তু তিনি বিসিআইসি, না খুচরা সার বিক্রেতা। সরকারী অফিসঃ কৃষি-উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা- নাম নেই। খাদ্য উৎপাদন- প্রধান ফসল ধান উল্লেখ করা হলেও দেশখ্যাত হলুদের নামই নেই, যাচাই-বাছাই ছাড়াই তথ্য প্রদান করা হয়েছে- ইউনিয়ন ভূমি অফিস- কী সেবা কীভাবে পাবেন, কোন দিক-নির্দেশনা নেই, ভূমি বিষয়ক তথ্য- বর্ণনা দেয়া আছে। সমাজ সেবাঃ কী সেবা কীভাবে পাবেন- ধাপ দেয়া আছে, তবে কোন তালিকা দেয়া নেই।
অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে, কলেজ নেই। মাধ্যমিক বিদ্যালয় – মাত্র ১টি, পলাশীহাটা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। নিম্ন-মাধ্যমিক-বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা শুন্য। প্রাথমিক বিদ্যালয় ১টি। অন্যান্য তথ্য :
এডিপির প্রকল্প সমূহ, ত্রাণ শাখার প্রকল্প সমূহ- কাজের বর্ননা: ১১ টি ৩নং অগভীর নলকুপ স্থাপন বরাদ্দের পরিমাণ (টাকায়): ১৭৫৫০০০/- মেয়াদকাল: ০৬/২০১২ – ০৭/২০১৩ ওয়ার্ড: ১-
জেলা মহিলা বিষয়ক অফিসের তথ্যাবলীতে- মৌলভী বাজারের তথ্য প্রদর্শিত হয়, মাতৃত্বকালীন ভাতা- কোন সনের তালিকা তা বুঝা যায় না। ভিজিডিও একই অবস্থা। মুক্তিযোদ্ধা ভাতা- শুধু নাম ১৪জনের এবং বিধবা ভাতা- ২০জনের নাম।
২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের বয়স্ক উপকার ভোগীর চূড়ান্ত বাচাই তালিকাঃ ৫৮জনের সবাই ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের নাগরিক বলে তথ্য দেয়া হয়েছে। প্রতিবন্ধী ভাতা-২০জনের দায়সারা নাম, প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রী ভাতা- শুধু নাম, অন্যান্য তথ্য- শুন্য।
পোর্টাল বলে- টিআর ২০১৫ গ্রামীণ রাস্তায় ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ এখনো হয়নি, কাবিটা- তথ্য বলে গত ৩বছর ধরে এ ইউনিয়নে কাবিটার কোন বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।
এলজিএসপি- গত ২বছর ধরে এ ইউনিয়নে এলজিএসপি কোন বরাদ্দ পায়নি। চমৎকার একটি তথ্য- কাবিখা- ২০১৬-০৪-৩০ – ২০১৮-০৪-৩০ ৩নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে পাইপ কালর্ভাট স্থাপন। ১,৫০০০ টাকা।
ভৌত অবকাঠামো- কৃষি ও সেচ, শিক্ষার কোন তথ্যই নেই।
প্রস্তাবিত ময়মনসিংহ জেলায় নয়- গাইবান্ধা, জিআর- গত ৩বছর ধরে এ ইউনিয়নে কাবিটার কোন বরাদ্দ পায়নি।
এলজিইডি ২০১২-০৬-৩০ – ২০১৩-০৬-৩০ ০৯ এলজিইডি ১,২২,২৬৪
সরকারী অন্যান্য বিভাগ : ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে ভূমি অফিস, কৃষি অফিস, আনসার ভিডিপি অফিস, এলজিইডি অফিস, শিক্ষা অফিসসহ কমপক্ষে ১৮/১৯টি সেবা চালু থাকার কথা। কিন্তু সেখানে ভূমি অফিস ও কৃষি অফিস বাদে কোন অফিসই চালু হয় নাই। কৃষি বিভাগ মাসে ৪/৫বার প্রয়োজন পড়লে রুম খোলে পরিস্কার করা হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
প্রকল্প সমূহ : ৪০দিন : ৯টি ওয়ার্ডে ৯টি প্রকল্প গ্রহণ করলেও ৩০ভাগ কাজ শেষ হয়নি। ইতিমধ্যে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। প্রথম কিস্তিতে ২০দিনের টাকা শ্রমিকদের পরিবর্তে চেয়ারম্যান ও তার লোকজন ব্যাংক থেকে উত্তোলন করেছে। বাকী ২০দিনের টাকা আবারও নয় ছয় করে উত্তোলনের অপেক্ষায় রয়েছে।
এলজিএসপি : এ প্রকল্পের ২০১৬-১৭অর্থ বছরের ২১লাখ ১শ ৪৭টাকার বিপরীতে ৯টি ওয়ার্ডে ৯টি প্রকল্প দেয়া হয়েছে। বরাদ্দের উল্লেখ যোগ্য একটি বালুঘাট ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা- দরজা-জানালা বাবদ ৭৫হাজার টাকা, যা দিয়ে কাজ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। সচেতন মহল মনে করেন এ প্রকল্পের তেমন সুফল পাওয়া যাবে না, কেননা ঐ ঘরের মাত্র অর্ধেক কাজ হয়েছে। ওয়ার্ড ভিত্তিক অন্যান্য প্রকল্পগুলো প্রদর্শনের কিছু নেই, কেননা চেয়ারম্যানের দাবী, তাঁর ইউনিয়নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাজার, মসজিদ, মন্দিরসহ বিভিন্ন স্থানে টিউবওয়েল, ল্যাট্রিন স্থাপন করা হবে। তবে এসব প্রকল্পের নামের তালিকা কোথাও প্রদর্শিত হয়নি এমনকি ওয়েব পোর্টালেও এর কোন হদিস নেই। এ সরকারী বরাদ্দ যেমন হ-য-ব-র-ল।
টিআর : ২০১৬-১৭অর্থ বছরের টিআর এর মোট বরাদ্দ ১লাখ ৪৬হাজার ৪শ টাকা, এর বিপরীতে ৩টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। বালুঘাট কালুরবাড়ী হতে সন্তোষপুর বিট (বনবিট) অফিস রাস্তা সংস্কার, শিবপুর মফের বাড়ীর নিকট হতে টেকির বাজার পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার এবং নাওগাঁও উত্তরপাড়া জামে মসজিদের নিকট হতে শামস উদ্দিনের বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার। এসব রাস্তায় সংস্কারের নামে জনদূর্ভোগ আরও চরম আকার ধারন করেছে। ৩টি প্রকল্পে দিনমজুর লেবার দিয়ে সর্বোচ্চ ১৮হাজার টাকা খরচ করা হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবী।
কাবিটা : শিবপুর বোডের বাজার হতে খালপাড় পর্যন্ত রাস্তায় মাটি ভরাট ৬৮হাজার টাকা। এ প্রকল্পের কাজ অনেকটাই সন্তোষজন।
স্বাস্থ্য বিভাগ : ইউনিয়নে কতভাগ লোক স্যানিটেশনে আওতায় আসছে তার সঠিক কোন হিসাব নেই, যা আছে ধামাচাপা দেয়া মাত্র। এ খাতে আগামী বছর পরিষদ কোন বরাদ্দ রাখবে কি না তারও কোন সদোত্তরও মিলেনি। শিক্ষা বিভাগ : সকল শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করতে এবং শতভাগ শিক্ষা নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন পরিষদের কোন ভূমিকা আছে কি না, তাও জানেন না বলে হেসে উড়িয়ে দেন ইউপি চেয়ারম্যান। তিনি জানান এ গুলোর জন্য শিক্ষা অফিস আছে।
ভিজিএফ : বরাদ্দ পেলে ইউপি সদস্যেদের মাধ্যমে তালিকা প্রস্তুত করে হতদরিদ্র ও দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয় বলে দাবী করেন ইউপি চেয়ারম্যান। তবে এনিয়ে প্রতি বছরই বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ নতুন কিছু নয়।
ভিজিডি : প্রতি মাসে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের তত্ত্ববধানে অসহায় মহিলাদের মাঝে ভিজিডি কার্ডের মাধ্যমে ৩০কেজি করে চাউল বিতরণ করা কথা। কিন্তু অত্র ইউনিয়নে প্রতিমাসে চাউল বিতরণ করা হয় না। ৩মাস অন্তর অন্তর চাউল বিতরণ করা হলেও প্রত্যেক বারে ওজনে কম দেয়ার অভিযোগ অনেক পুরাতন ঘটনা।
ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে একটি আকাশমনি গাছ কর্তন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যানের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, ইতিমধ্যে ইউএনও মহোদয় পরিদর্শন করেছেন। এ গাছটি ঝড়ে পড়ে গিয়েছিল, আমার পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এটি দিয়ে পরিষদের ফার্নিচার বানানো হবে।
বর্তমান সরকার সারা দেশে মানুষের কল্যাণে ব্যাপক উন্নয়ন করে দেশ কে একটি আধুনিক ও ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত করার বিরামহীন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, সেখানে অত্র ইউনিয়ন পরিষদ এখনো এনালগ রয়ে গেছে। একটা সময় ছিল যখন এ ইউনিয়ন পরিষদে পৌঁছাতে প্রায় ৩ঘন্টা সময় লাগত সেখানে এখন ৪০মিনিটে যাওয়া যায়। যোগাযোগ ব্যবস্থার এত উন্নয়ন হলেও ইউনিয়ন পরিষদে সেবার মানের কোন উন্নয়ন হয়নি। ইউনিয়ন পরিষদের সকল পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ দায়সারা কাজ-কর্ম চালিয়ে ইউনিয়ন পরিষদটি কে একটি অকার্যকর ইউনিয়ন পরিষদে রূপান্তরিত করে চলেছেন।
এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: আব্দুর রাজ্জাক এর সাথে বার বার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা জানান, অত্র ইউনিয়নে ডিজিটাল তো দূরের কথা এনালগ সেবাও পাওয়া যায় না।
ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মো: আব্দুস সালাম জানান, চেয়ারম্যানের দূর্বলতার কারণে মানুষ ডিজিটাল সেবা পাচ্ছে না। উন্নয়ন কর্মকান্ড তিনি একাই চালিয়ে যাচ্ছেন, এখানে পরিষদ ও প্রকল্প কমিটির কোন সিদ্ধান্ত নিতে হয় না, তিনি যা ইচ্ছা তাই করছেন। মোজাম্মেল হক মোজা চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময় অন্তত খাতায় স্বাক্ষর করতে হতো, এখন তাও করতে হয় না।
এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: আব্দুর রাজ্জাক এর সাথে বার বার ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: আ: বাছেদ জানান, আমাদের সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলো দেখতে হবে, আদৌ এগুলো আমাদের প্রকল্প কি না। ৪০দিনের যে প্রকল্প দেয়া হয়েছে, সেটাও সরেজমিনে তদন্ত করে দেখতে হবে, কেননা অনেক প্রকল্প সবগুলো দেখা সম্ভব হয় না।

ThemesBazar.Com

     এ জাতীয় আরও সংবাদ